গ্যাসের চুলা এমন একটা জিনিস যেটা প্রতিদিন তিন বেলা চলে। তাই কেনার সময় শুধু দাম দেখলে হয় না — কয়েকটা জিনিস আগে থেকে ভেবে নিলে পরে আফসোস করতে হয় না। দোকানে এসে ক্রেতারা যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি করেন, সেগুলোই এখানে সাজিয়ে দিলাম।
১. এক বার্নার না দুই বার্নার
পরিবারে কতজন খান, সেটাই এখানে মূল প্রশ্ন। দুই-তিনজনের ছোট পরিবারে এক বার্নারেই চলে যায়। কিন্তু চার-পাঁচজনের সংসারে ভাত আর তরকারি একসঙ্গে বসাতে না পারলে রান্নার সময় দ্বিগুণ লাগে। সকালে তাড়াহুড়া থাকলে দুই বার্নারই কাজের।
২. গ্লাস টপ না স্টেইনলেস স্টিল
গ্লাস টপ দেখতে সুন্দর, আর পরিষ্কার করা সহজ — একটা ভেজা কাপড় বুলিয়ে দিলেই হয়। স্টেইনলেস স্টিল দেখতে সাদামাটা, কিন্তু ধাক্কা-ধুক্কি সহ্য করে বেশি। রান্নাঘরে বাচ্চারা ঘোরাফেরা করলে বা ভারী হাঁড়ি ওঠানামা করলে স্টিল নিয়ে দুশ্চিন্তা কম।
৩. বার্নারের নিচের জায়গাটা
চুলা কেনার সময় বার্নারের চারপাশে কতটা ফাঁকা জায়গা আছে দেখে নিন। তেল-ঝোল পড়লে ওই জায়গাটাই পরিষ্কার করতে হয়। খুব আঁটসাঁট ডিজাইনে কোণায় ময়লা জমে যায় আর হাত ঢোকে না।
৪. প্যান সাপোর্ট শক্ত কি না
ভারী হাঁড়ি বা প্রেশার কুকার বসালে প্যান সাপোর্ট যেন নড়বড় না করে। দোকানে এসে হাত দিয়ে চেপে দেখে নিতে পারেন — এই একটা পরীক্ষা অনেক কিছু বলে দেয়।
৫. গ্যাস রেগুলেটর আর পাইপ
নতুন চুলার সঙ্গে রেগুলেটর আর পাইপও ঠিকঠাক আছে কি না দেখে নিন। পুরোনো পাইপ ফেটে গেলে বা রেগুলেটর ঢিলা হলে গ্যাস লিক হয়। এটা টাকার প্রশ্ন নয়, নিরাপত্তার প্রশ্ন। আমাদের এখানে গ্যাস রেগুলেটরও আলাদা করে পাওয়া যায়।
কেনার আগে শেষ কথা
বারাকাহ ট্রেডার্সে গ্যাসের চুলার সংগ্রহটাই সবচেয়ে বড় — এক বার্নার থেকে ডাবল বার্নার, স্টিল থেকে গ্লাস টপ। দোকান উত্তর জয়পাড়া, কুঠিবাড়ি রোডে, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা খোলা। এসে হাতে নিয়ে দেখে কিনতে পারেন, আবার অনলাইনে অর্ডার করলে বাক্স খুলে দেখে তারপর টাকা দিতে পারেন।